দুটি কবিতা:
১. ক্ষুদ্র পরিসর
চাতাল বলতে একটাই
সকাল থেকে গুমোট গরম আর পাখার হাওয়া মিশে একটাই
হাঁস ফাঁস।
তাক খুলে রেখে বাড়তি অংশে ডাইনিং টেবিল।
রাত্রে সেন্টার টেবিল।
তাহাতেই মুক্ত ডিভান।
খোলা উঠোন, আমাদের লুটোপুটি।
পাতা শয্যার শীৎকার।
মেঝেতে শিশুদের আদর বিছানো।
পাপগুলি দিন শেষে ক্ষয় হলে
ফিরে আসি ধ্বস্ত বিছানায়।
পরদিন দিন শুরুর অছিলায়।
হে ভারত জীবন এত ছোট কেনে?
কেন এ ক্ষুদ্র পরিসর!!
২. বসন্ত প্রেমের মাস
একথা সকল জাদুকর জানলেও গ্রীষ্ম এত রসহীন তাও অদ্ভুত অজানা রয়ে যায় নিয়ম ছাড়িয়ে।
মৌমাছিরা হলুদ বর্ণের ক্ষেত পছন্দ করে।
কলুদ ফুলের সন্ধানে।
ওগো নিষ্ঠুর জাদুকর! কোনো জাদুশক্তিই আর ফিরে যাওয়া বসন্তের আভাস টের পাবে না।
দূরগামী বালক বোঝে নিরস দুপুরের রহস্য।
কেমন করে ছায়া এসে আদর জানায়, কেমন করে!
কেমন করে আকাশের দিকে নধর প্রেম আকাশে বিছিয়ে রাখে দুটো একটা প্রত্যাশা।
আমি তার প্রণয়ীকে চিনি।
আমি তার বালকের পরিভাষা জানি।
কেমন করে বাতাসে গন্ধ উড়ে এলে যুবতীরা এলিয়ে দেয় কোমর।
বাঁহাতে জড়িয়ে নিয়ে ডান হাতে অধিকারী ঠোঁট চেপে ধরে।
এক প্রজাপতি কথা শোনাবে।
একটা সাঁকো পেরিয়ে যেতে সন্ধ্যা নেমে আসবে। আর বুকের ভিতর খিল খুলে দিলে অযথা ঘুমিয়ে পড়বে শাবক।
নাচের সময় কথাগুলো সন্ধ্যার যাপন উঠে আসে। অসুখের। যেখানে তুমি নেই।
অদ্ভুত জলতরঙ্গে বর্ষা তার সর্বনামে
পাহাড়কে ডেকে ফেলল এই মাত্র।
কমেন্ট করুন